সবাইকে জানাই হাগিস’না’ ডায়াপারের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা। আজ আমরা জানব শিশু কাকে বলে, কত প্রকার ও কি কি ইত্যাদি ইত্যাদি –

.

১। জন্মের পর থেকে শিশুদের Name খুব দ্রুত বদলায় – জন্মের পর থেকে প্রথম ২৮ দিন শিশুকে বলে Neonate, তারপর থেকে এক বছর পর্যন্ত তাদের বলা হয় Infant, ১-২ বছরের গ্যাদাদের ডাকা হয় Toddler নামে, দুই বছর থেকে বয়ঃসন্ধি কাল পর্যন্ত এদের ডাকা হয় রিয়াল শিশু অথবা Kid নামে, বয়ঃসন্ধি থেকে ১৯ বছর পর্যন্ত বলা হয় Teenager, ১৯ বছরের পর থেকে ২৫ পর্যন্ত বলা হয় Young adult … এর পর থেকে তাকে আর ঠিক শিশু বলা যায়না তবে পঁচিশ পর্যন্ত নিজেকে শিশুদের একজন ভেবে মনেমনে শান্তি পেতে পারেন।

২। যদিও শিশুর বয়স সীমা একেক দেশে একেক রকম। আমাদের দেশে ১৮ বছরের কম যে কোনো মানুষকেই সংবিধান অনুযায়ী শিশু বলা হয়। এই বয়স সীমার গুরুত্ব অপরিসীম। হাসপাতালে ভর্তির ওয়ার্ড, অপরাধের শাস্তি, বাল্য বিবাহ ইত্যাদি বিষয় এই বয়স সীমার সাথে সম্পর্কিত।

৩। একটা বাচ্চা জন্মের প্রথম বছরেই তার ওজন সবচেয়ে দ্রুত বাড়ে। জন্মের সময় যেই ওজন থাকে, ১ বছর পর প্রায় ৩ গুণ বাড়ে। জন্মের পর পরই বাচ্চার ব্রেইন অনেক এক্টিভ থাকে। তবে Co-ordination system  ও Pyramidal Tract কন্ট্রোল ভালো থাকে না। Pyramidal contralateral কন্ট্রোল ঠিক থাকে না বলে বামের জুতা ডান পায়ে, ডানের জুতা বাম পায়ে পড়ে প্রথম দুই বছর।

৪। জীবনের প্রথম বছরকে বলা হয় Psychological Window period … এই সময়ের মধ্যে কোনো ঘটনা শিশু পরবর্তীতে মনে রাখতে পারবে না। তাই যেসব বাচ্চাদের জননাঙ্গের কোনো অপারেশন লাগে জন্মগত কোনো ত্রুটির জন্য, সেটা এই সময়ের মধ্যে করিয়ে ফেলা ভালো। পরে অপারেশন করালে তার Inferiority complex regarding congenital disease সারা জীবন বয়ে বেড়াতে পারে।

৫। বাচ্চারা জন্মের পরে সবকিছুই সাদা কালো দেখে কয়েক মাস পর্যন্ত। চোখে ঘোলা দেখে আরো কয়েক মাস পর্যন্ত। খাবারে লবনের স্বাদ বুঝতে পারে না প্রথম ৬ মাস পর্যন্ত। জন্মের পর কয়েক মাস পর্যন্ত বাচ্চাদের পেইন সেন্সেশন থাকে না। তারা কান্না করে ভয়ে। এমনকি ১৯৮৫ শাল পর্যন্ত ডাক্তাররা বিশ্বাস করতেন শিশুরা ব্যাথা পায়না, তাই এনেস্থেশিয়া ছাড়াই অপারেশন করতেন।

পোস্ট বড় হয়ে যাবে বলে আরো কিছু মজার তথ্য বাদ দিলাম, পরে একদিন ওসব বলা যাবে।

Stokes-Baby

12439091_842577305870192_3277621181040430147_n
Engr. Atiqur Rahman