বাচ্চা যদি ২৪ ঘন্টার বেশী বমি করে। কিছু কিছু অসুস্থতায় এটা স্বাভাবিক, তারপরও একবার ডাক্তার দেখিয়ে নিন। বাচ্চা যদি ৩ মাসের ছোট হয় এবং এবং জ্বর যদি (রেক্টাল) ১০০.৪ ডিগ্রীর বা তার বেশী হয়, তবে দ্রুত ডাক্তারকে জানাতে হবে।
.
বাচ্চার যদি পানিশূন্যতার কোন লক্ষন দেখা দেয় যেমন গাড় হলুদ প্রস্রাব, প্রস্রাবের পরিমান কম (৬-৮ ঘণ্টা প্রস্রাব না করলে), শুকনো ঠোট ও মুখ, দুর্বল, এবং ১ মাসের বেশী বয়সের বাচ্চাদের কান্নার সময় যদি চোখে পানি না থাকে (নবজাতকেরপ্রথম চোখে পানি আসতে ১ মাস বা তার বেশী সময় লাগতে পারে)।
.
বাচ্চার বমির সাথে যদি রক্ত থাকে। মাঝে মাঝে বমিতে সামান্য রক্ত থাকা সাভাবিক কারণ যে বেগে বমি বেড়িয়ে আসে তাতে খাদ্যনালী সামান্য খতিগ্রস্থ হতে পারে। কিন্তু যদি নিয়মিত রক্ত আসে বা রক্তের পরিমান বেশী হয় তবে ডাক্তারকে জানাতে হবে।
.
যদি খাবার খাওয়ার আধা ঘন্টার মধ্যে প্রবল বেগে বমি বেড়িয়ে আসে সেক্ষেত্রেই ডাক্তারকে জানাতে হবে। এটা পাইলোরিক স্টেনোসিস এর লক্ষন হতে পারে। যদি বাচ্চার ত্বক বা চোখের সাদা অংশ হলুদ মনে হয় তবে তা জন্ডিসের লক্ষন হতে পারে। এক্ষেত্রেও দেরী না করে ডাক্তার দেখাতে হবে।
.
বাচ্চার যদি অনেক বেশী ব্যাথা থাকে। বাচ্চারা যদিও ব্যাথার কথা বলতে পারেনা কিন্তু আপনি হয়ত তাকে দেখেই বুঝতে পারবেন। পেট যদি ফুলে যায় বা নমনীয় হয়ে থাকে তবে তা পরিপাকতন্ত্রে কোন সমস্যার কারণে হতে পারে। এজন্য ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়া জরুরী।
.
বাচ্চার বমির সাথে যদি বাইল(সবুজাভ হলুদ তরল) বা গাড় কফি রঙের রক্ত যায় তবে ডাক্তার হয়ত বমি দেখতে চাইবেন। এ ক্ষেত্রে একটি প্লাস্টিকের ব্যাগে বমি সাথে করে নিয়ে যেতে পারেন।
.
শিশু যদি ঘন ঘন বমি করতে থাকে তবে অবশ্যই দেরি না করে চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে। চিকিৎসকের কাছে বমির ধরণ ও কারণ ব্যাখ্যা করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে। যদি কোন দুর্ঘটনার কারণে শিশুর বমি হয়ে থাকে তাহলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব শিশুকে শুইয়ে দিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করতে হবে।
.
শিশুর দিকে ভালো করে দেখুন। তার কাজকর্ম পর্যবেক্ষণ করুন। অসুখ থেকে বমি হলে তার মধ্যে এর প্রভাব পড়বে। শিশুকে কাহিল বা অসুস্থ দেখাবে। যদি শিশুকে গুরুতর অসুস্থ মনে হয়, খুব দুর্বল হয়ে যায়, তবে দেরি না করে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়া উচিত।

BD Online Mediababy 1